শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে ৪শ’ বছরের পুরনো এক গম্বুজ মসজিদ ভাঙনের মুখে হারিয়ে যেতে বসেছে

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ জুলাই, ২০২৩, ১০:৪১ পিএম
চাঁদপুরে ৪শ’ বছরের পুরনো এক গম্বুজ মসজিদ ভাঙনের মুখে হারিয়ে যেতে বসেছে

মতলব উত্তর উপজেলার ফরাজীকান্দি ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ছোট হলদিয়া গ্রামে অবস্থিত এক গম্বুজ মসজিদ। এই মসজিদটি জৈনিক রূপ সরকার প্রায় ৪০০ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত করেন।

স্থানীয় জনগণের ভাষ্যমতে যখন মসজিদটি রুপ সরকার প্রতিষ্ঠিত করেন তখন মতলব উত্তর ছিল চরাঞ্চল তেমন ছিল না কোন বসতি। পুরো ছোট হলদিয়া গ্রামে পাঁচ বা সাতটি পরিবার বসবাস করতো। সে সময়ে নামাজ আদায়ের জন্য রুপ সরকার প্রতিষ্ঠিত করেন মসজিদটি।

প্রায় ৪০০ বছর আগের প্রাচীন এই স্থাপনাটি এখন বিলুপ্তির পথে। সব মিলিয়ে ছোট হলদিয়া গ্রামে বর্তমানে ১২টি মসজিদ থাকার কারণে এখন আর কেউ নামাজ আদায় করে না প্রাচীন এই মসজিদে। মসজিদে নেই কোন বিদ্যুৎ সংযোগ ও আসেনি মসজিদ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কোন প্রকার অনুদান। দুঃখের বিষয় হলো ভাঙনের মুখে বিলীন হতে বসেছে মতলবের এই প্রাচীন ইতিহাস।

মসজিদের পূর্ব পাশ রয়েছে বড় একটি পুকুর। এই পুকুরের পাড় ভেঙ্গে এখন মসজিদের দেয়াল ছুই ছুই, যেকোন সময় ঘটতে পারে অনাকাঙ্খিত ঘটনা। ভাঙনসহ সার্বিক বিষয় অবহিত করা হয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে। তিনি আস্বস্ত করেছেন ব্যবস্থা নেয়ার, কিন্তু প্রতিশ্রুতি এখন দৃশ্যমান নয়।

Model Hospital

মতলব, চাঁদপুর বা বৃহত্তর কুমিল্লা সৃষ্টি হওয়ার আগে কালের সাক্ষী ৪০০ বছরের পুরনো এই এক গম্বুজ মসজিদটি রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণের জন্য কেউ থাকলে ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ রইলো।

দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০৯ পিএম
দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

সামাজিক ও মানবিক কাজ করে প্রতিটি মানুষের মনে স্থান নিয়েছে প্রবাসী সোহেল সওদাগর।

সোহেল সদাগর কচুয়া উপজেলার কড়‌ইয়া ইউনিয়নের লুন্তি গ্ৰামের কৃতি সন্তান। তার বাবা সাবেক ইউপি সদস্য মরহুম সিরাজুল ইসলাম । ভাই বোনদের মধ্যে সবার ছোট সোহেল সওদাগর।

এলাকাসহ কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামে অসহায় গরিব দুঃখী মানুষের মুখে সোহেল সদাগর মানবতার ফেরিওয়ালা নামে  শোনা যাচ্ছে।কর্মজীবনে তিনি সৌদি আরবে ফারি জমায়, বর্তমানে তার সৌদি আরবে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তার জীবনের  উপার্জনের টাকার মধ্যে প্রায় ৫০% টাকা গরিব দুঃখী অসহায় মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিতে দেখা যায়।

প্রতিবছরের প্রায় দুই থেকে তিনবার এলাকায় এসে  বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিয়ে থাকেন। বিশেষ করে কোন ব্যক্তির জটিল রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসা খরচ, প্রতিবন্ধী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কর্মসংস্থার ব্যবস্থা করেন।

Model Hospital

এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকান্ডে আর্থিক অনুদান দিয়ে থাকেন। তার এই কর্মকান্ডে কচুয়া উপজেলা বাসির কাছে একজন মানবতার ফেরিওয়ালা হিসাবে মানুষের মনের জায়গায় করে নিয়েছেন।

কচুয়ার একাধিক সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা জানান,সমাজসেবামূলক কাজে জড়িয়ে জনগণের আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন প্রবাসী সোহেল সওদাগর।
সামাজিক দিক থেকে সকলের প্রিয় মানুষ তিনি। মানুষের হিয়ার মাঝে অধিকার পৌছে দেয়াই তার বাসনা, মুখে থাকে তার মন ভাল করে দেয়া হাসি। সদা প্রাণোবন্ত হাস্যোজ্জ্বল মানুষ সোহেল সওদাগর। হাসি ছাড়া কথা বলেন না কারো সাথে। ঘুম থেকে উঠে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত পরোপকারে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন এই মানবিক মানুষ। স্বপ্ন তার অসহায় মানুষদের নিয়ে কাজ করার। তিনি সবসময় অসহায় অবহেলিত মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকেন। শুধু তাই নয় যে কোনো সামাজিক সমস্যায় তাকে পাশে পাওয়া যায়।
কচুয়ার সাধারণ জনগণ জানান, মানবিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব সোহেল সওদাগর নিঃস্বার্থ ভাবে গরিব মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
নিজ অর্থায়নে মসজিদ, মাদ্রাসা,ধর্মিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
সোহেল সওদাগর বলেন, ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনবিধান। ইসলামের সাথে চলতে হলে ইসলামে দেখানো প্রতিটি বিষয় মেনে চলতে হয়। মানবসেবার জন্য মসজিদ-মাদ্রাসা, মানবিক জনকল্যাণ মুলক কাজ করাও বিশেষ সাওয়াবের কাজ। একটি সুন্দর কাজ সম্পাদন করতে দরকার ভালো মানসিকতার। মানুষের সেবা করেই আমি আত্মতৃপ্তি পাই। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে আমার আত্মতৃপ্তি। মানুষের উপকার করতে পারলে নিজের কাছে অনেক ভালো লাগে। তাই নিজেকে আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত রেখেছি। এটাই আমার কর্মময় জীবন। এভাবেই সারাজীবন জনগণের সেবা করে পাশে থাকতে চাই।