শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে নারীদের নামাজের ব্যাবস্থা করে অ্যাসিল্যান্ডের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: রবিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৩, ৯:২৫ পিএম
শাহরাস্তিতে নারীদের নামাজের ব্যাবস্থা করে অ্যাসিল্যান্ডের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন
ভূমি সংক্রান্ত সেবা নিতে আসা নারীদের নামাজের ব্যাবস্থা করে শাহরাস্তি অ্যাসিল্যান্ড এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
সম্প্রতি শাহরাস্তি  উপজেলায় তিনি সহকারী কমিশনার (ভূমি) এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট রেজওয়ানা চৌধুরী তাঁর কর্মস্থলে যোগদান করে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পরামর্শ ও নিজের অদম্য মেধাকে কাজে লাগিয়ে অবিরাম জনহিতকর কাজে নিয়োজিত রয়েছেন ।
প্রথমেই দালালমুক্ত ভূমি অফিস, ভূমির টপ সোয়েল লুন্ঠনরোধ, অবৈধ ভেকু,  ড্রেজার, হোটেল রেস্তোরা, মুদি দোকান, বেকারির অনিয়ম অসঙ্গতি এবং যানবাহনে ও ডাকাতিয়া নদীতে অবৈধ রিং, ভেসাল, কারেন্ট জালের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতে অভিযান পরিচালনা করেন ।
এতে তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
এরই মধ্যে তিনি শাহরাস্তি পৌর শহরের সাহাপুরে স্থাপিত উপ-সহকারী কমিশনার ভূমি অফিসে ‘ভূমি সংক্রান্ত কাজে  সেবা নিতে আসা আগন্তক নারীদের জন্য একটি নামাজ পড়ার রুমের ব্যবস্থা করে মহতি উদ্যোগ  গ্রহন করেন ।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এবং স্থানীয়দের বক্তব্য জানা যায়, শাহরাস্তি পৌর শহর থেকে খানিকটা দূরে সাহাপুর মৌজায় স্থাপিত শাহরাস্তি সহকারী কমিশনার ভুমি কার্যালয়টি আধুনিক অবকাঠামোর আদলে তৈরি হলেও নারীদের নামাজ আদায়ের তেমন কোন পরিবেশ ছিল না। অ্যাসিল্যান্ড রেজওয়ানা চৌধুরী আগন্তক নারীদের নামাজ পড়ার স্থানের অভাবের বিষয়টি অনুভব করতে পেরে দ্রুত নামাজ পড়ার স্থানের ব্যবস্থা করে দেন।
পরে এই সংক্রান্ত একটি পোস্ট ওই দপ্তর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নানা শ্রেণী পেশার মানুষ বিষয়টিকে সাধুবাদ জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে কৃতজ্ঞচিত্তে ধন্যবাদ জানান।
এ প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার ভূমি রেজওয়ানা চৌধুরী প্রিয় চাঁদপুরকে বলেন, সকলের সহযোগিতা পেলে তিনি যে কোন বিষয়ে জনগণকে সেবা দিতে আন্তরিকভাবে সচেষ্ট রয়েছেন।

দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০৯ পিএম
দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

সামাজিক ও মানবিক কাজ করে প্রতিটি মানুষের মনে স্থান নিয়েছে প্রবাসী সোহেল সওদাগর।

সোহেল সদাগর কচুয়া উপজেলার কড়‌ইয়া ইউনিয়নের লুন্তি গ্ৰামের কৃতি সন্তান। তার বাবা সাবেক ইউপি সদস্য মরহুম সিরাজুল ইসলাম । ভাই বোনদের মধ্যে সবার ছোট সোহেল সওদাগর।

এলাকাসহ কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামে অসহায় গরিব দুঃখী মানুষের মুখে সোহেল সদাগর মানবতার ফেরিওয়ালা নামে  শোনা যাচ্ছে।কর্মজীবনে তিনি সৌদি আরবে ফারি জমায়, বর্তমানে তার সৌদি আরবে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তার জীবনের  উপার্জনের টাকার মধ্যে প্রায় ৫০% টাকা গরিব দুঃখী অসহায় মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিতে দেখা যায়।

প্রতিবছরের প্রায় দুই থেকে তিনবার এলাকায় এসে  বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিয়ে থাকেন। বিশেষ করে কোন ব্যক্তির জটিল রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসা খরচ, প্রতিবন্ধী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কর্মসংস্থার ব্যবস্থা করেন।

Model Hospital

এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকান্ডে আর্থিক অনুদান দিয়ে থাকেন। তার এই কর্মকান্ডে কচুয়া উপজেলা বাসির কাছে একজন মানবতার ফেরিওয়ালা হিসাবে মানুষের মনের জায়গায় করে নিয়েছেন।

কচুয়ার একাধিক সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা জানান,সমাজসেবামূলক কাজে জড়িয়ে জনগণের আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন প্রবাসী সোহেল সওদাগর।
সামাজিক দিক থেকে সকলের প্রিয় মানুষ তিনি। মানুষের হিয়ার মাঝে অধিকার পৌছে দেয়াই তার বাসনা, মুখে থাকে তার মন ভাল করে দেয়া হাসি। সদা প্রাণোবন্ত হাস্যোজ্জ্বল মানুষ সোহেল সওদাগর। হাসি ছাড়া কথা বলেন না কারো সাথে। ঘুম থেকে উঠে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত পরোপকারে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন এই মানবিক মানুষ। স্বপ্ন তার অসহায় মানুষদের নিয়ে কাজ করার। তিনি সবসময় অসহায় অবহেলিত মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকেন। শুধু তাই নয় যে কোনো সামাজিক সমস্যায় তাকে পাশে পাওয়া যায়।
কচুয়ার সাধারণ জনগণ জানান, মানবিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব সোহেল সওদাগর নিঃস্বার্থ ভাবে গরিব মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
নিজ অর্থায়নে মসজিদ, মাদ্রাসা,ধর্মিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
সোহেল সওদাগর বলেন, ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনবিধান। ইসলামের সাথে চলতে হলে ইসলামে দেখানো প্রতিটি বিষয় মেনে চলতে হয়। মানবসেবার জন্য মসজিদ-মাদ্রাসা, মানবিক জনকল্যাণ মুলক কাজ করাও বিশেষ সাওয়াবের কাজ। একটি সুন্দর কাজ সম্পাদন করতে দরকার ভালো মানসিকতার। মানুষের সেবা করেই আমি আত্মতৃপ্তি পাই। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে আমার আত্মতৃপ্তি। মানুষের উপকার করতে পারলে নিজের কাছে অনেক ভালো লাগে। তাই নিজেকে আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত রেখেছি। এটাই আমার কর্মময় জীবন। এভাবেই সারাজীবন জনগণের সেবা করে পাশে থাকতে চাই।